বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা (২০২৪-২০২৫ অর্থবছর )
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,কৃষি মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ
| জাতীয় পুষ্টি নীতির কৌশল# ও উপ-কৌশল# | দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত প্রধান কার্যক্রম | সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় / অধিদপ্তর ভিত্তিক উপ-কার্যক্রম | সূচক | উক্ত অর্থবছরের প্রাক্কলিত বাজেট | উক্ত অর্থবছরের কার্যক্রম(ত্রৈমাসিক) | সংশ্লিষ্ট সংস্থা | মন্তব্য | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| কর্মসম্পাদন সূচক | ভিত্তি | লক্ষ্যমাত্রা | উপাত্ত সূত্র | ১ম | ২য় | ৩য় | ৪র্থ | |||||||
| জনসংখ্যা ভিত্তিক/অন্যান্য | ভৌগলিক সীমা | |||||||||||||
| ৬.১.২/৬.১.২.৬ | ০৪. বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের প্রস্তাব অনুযায়ী খাদ্যের অসংগত বিপণন, উৎপাদক ও ভোক্তাদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রবের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর কর্মসূচি পরিচালনা করা | উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন ২০১১ এর আলোকে অস্বাস্থ্যকর, অনিরাপদ, মানহীন, ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য আমদানি,বিক্রয় রোধে আমদানিকারক ও উৎপাদকদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্যের ঝুঁকি সম্পর্কে এবং ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য সেমিনার/আলোচনা সভার আযোজন করা | আয়োজিত সেমিনার | ৬ | ৬টি | বিভাগীয় শহর | বার্ষিক প্রতিবেদন | ২০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||
| নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম | প্রকাশিত নিবন্ধ | ২২ | ২৪টি | সারা দেশ | প্রকাশিত নিবন্ধ | ২০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||||
| ০৫. খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্যের নিরাপদ ও মানসম্পন্ন সংরক্ষণ এবং বিপণনের জন্য জাতীয় নীতিমালা তৈরি করা | ২০২৪ সালের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা সমুহ সম্প্রসারন করা হবে। এ জন্য ৩০,০০০ কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করে রাসায়নিক বালাইনাশকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা এবং জৈব বালাইনাশকসমূহকে মাঠ পর্যায়ে সহজলভ্য করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হবে। | প্রশিক্ষিত কৃষক | ৫০০০ | ৯০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১১৫,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০৩. খাদ্যনিরাপত্তা আইন ২০১৩ জোরদার করা | পুষ্টি সপ্তাহে বিশেষ প্রচারনা যেমন , সামাজিক র্যালি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো | আয়োজিত ৠালি | ৪ | ৬ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১২,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ৬.১.৩/৬.১.৩.১ | ০১. বিদ্যমান এসপিপিকে পর্যাপ্ত পুষ্টি সংবেদনশীল করতে পুনর্বিবেচনা (যেমন - সামাজিক আচরণ পরিবর্তনের যোগাযোগ উপাদানে পুষ্টি অন্তর্ভুক্তকরণ, সঠিকভাবে লক্ষিত জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি প্রত্যক্ষ কার্যক্রম গ্রহণের সুযোগ প্রদান) .১ | ২০২১ সালের মধ্যে ৩৫টি ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাক্টরী। নির্মাণ, ৭৫টি হটিকালচার সেন্টারের লজিষ্টিক সাপোর্ট এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টিকর খাদ্য। উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। | নির্মিত ফ্যাক্টরি | ০ | ২ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ২২০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||
| ২০২৫ সালের মধ্যে পুষ্টি প্রযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে কৃষক তথা সকলের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১০০,০০০ প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। | প্রদর্শনী স্থাপন | ৮০০০ | ১০০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৩৫০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||||
| ৬.২.১ | ০১. সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা | সংশ্লিষ্ট প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ। | আয়োজিত প্রশিক্ষণ | ৩০০ | ৪৫০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১৫,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||
| ২০২৫ সালের মধ্যে পুষ্টি ফ্যাসিলিটেটর হিসাবে। ডিএই৫৩০০ এর মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ফ্যাসিলেটেটরদেরকে (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা) প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। | প্রশিক্ষিত ফ্যাসিলিটেটর | ১৫০০ | ২৫০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৬৫,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||||
| সংশ্লিষ্ট প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ। | আয়োজিত প্রশিক্ষণ | ১৫০ | ২০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||||
| ০৪. প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সা¤প্রতিক এলাকাভিত্তিক বাড়ির বাগানের প্রযুক্তি (যেমন, পানির ওপর চাষ, ভাসমান বাগান) পরিচিত করা | ২০১৯ সালের মধ্যে ২০২৫ কৃষকদের মাঠ স্কুল (এফএসএস), গ্রামভিত্তিক সংগঠনগুলোতে পুষ্টি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে এবং পুষ্টিকর বিবিধজাতের প্রজাতি ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাড়িতে সমন্বিত খাদ্য উৎপাদন শক্তিশালী করার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। | বাস্তবায়িত এফএসএস | ৩৫০০ | ৪০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৪০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০১. সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা | ২০১৯-২০২৫সালের মধ্যে উৎপাদন পরবর্তী ক্ষতি কৃষককে প্রশিক্ষণের ৭৫০০০ কমাতে (পিএইচএল) ব্যবস্থা করা হবে। | প্রশিক্ষিত কৃষক | ২০০০ | ৫০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০৪. প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সা¤প্রতিক এলাকাভিত্তিক বাড়ির বাগানের প্রযুক্তি (যেমন, পানির ওপর চাষ, ভাসমান বাগান) পরিচিত করা | ২০১৯-২০২৫ সালের মধ্যে পুষ্টির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাড়ির ছাদে বাগানের প্রযুক্তি পরিচিত করার জন্য ৫০০০ জন সুবিধাভোগির প্রশিক্ষণের আয়োজন করা | সুবিধাভোগী প্রশিক্ষণ | ২০০ | ১৪০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৫০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০৭. প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে বাড়িতে বৈচিত্র্যপূর্ণ খাদ্য ও সমন্বিত খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো (ফল ও শাকসবজি, সীমিত আকারে পশু পালন + ছোট মাছ) | ২০২১ সালের মধ্যে ১০,৫০০টি বাণিজ্যিক মিশ্র ফল বাগান | বাগান | ২০০ | ২৫০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০৬. পরোক্ষ পুষ্টি প্রশিক্ষণের উপকরণ ও তথ্য তৈরি/গ্রহণ/বিতরণ | বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী স্থাপন ও উপকরণ সরবরাহ | স্থাপিত প্রদর্শনী | ৩০০ | ৫০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১২০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০১. সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা | উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন গবেষনা প্রতিষ্ঠানে উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। | উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ জন | ৬০০ | ১৭০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৫০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ২০২২ সালের মধ্যে আধুনিক ভাসমান কৃষি প্রযুক্তির উপর সম্প্রসারণ কর্মী, কৃষক, গবেষক, এনজিও কর্মীসহ মোটে ৪৬২২৪ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে | কারিগরি সহায়তার মাধ্যেমে এ সময়ের মধ্যে ভাসমান চাষে ফসলের ফলন ও আয় ১০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। | প্রশিক্ষিত জন | ৮০০০ | ৯৫০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১২৫,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||||
| ০৬. পরোক্ষ পুষ্টি প্রশিক্ষণের উপকরণ ও তথ্য তৈরি/গ্রহণ/বিতরণ | ২০২০ সালের মধ্যে দশ লক্ষ কৃষককে আর্থিরঋণ/সুবিধা প্রদান, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সুবিধাভোগীদের প্রয়োজনে কারিগরি সুবিধা প্রদান করা | সুবিধাভোগী কৃষক | ১৫০০০০ | ২০০০০০ | সারা দেশ | আর্থিক প্রতিবেদন | ৭০০০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ০২. খাদ্যাভ্যাসের বৈচিত্র্যর জন্য কৃষকদের মাঠ স্কুল, গ্রামভিত্তিক সংগঠনগুলোতে পুষ্টি শিক্ষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যা বাড়িতে নানা ধরনের বাগান (ফল ও শাকসবজি) এবং পেছনের উঠানে হাঁস-মুরগি পালন/সীমিত আকারে পশু পালন/জলজ চাষে উদ্বুদ্ধ করবে | পর্যায়ে কৃষকদের পুষ্টি বিষয়ে অবহিত করা এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা | কৃষকদের পুষ্টি বিষয়ক অবহিতকরণ | ৩০০০ | ৫৫০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ২০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ৬.২.৫ | ০১. সঠিক ও নিরাপদ খাদ্য বেছে নেয়া/স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরিতে নিরাপদ খাদ্য, পানি, পয়োনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের ওপর গণমাধ্যমে প্রচার করা/সামাজিক আচরণ পরিবর্তন যোগাযোগ (SBCC) পরিচালনা করা | ২০২৫ সালের মধ্যে সঠিক ও নিরাপদ খাদ্য বেছে নেয়া । স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি বিষয়ে ফার্মার্স ফিল্ড ডে পালনের মাধ্যমে ৩৫ ০০০, কৃষককের মাঝে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে । | পুষ্টি সচেতন কৃষক | ২০০০ | ৫০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ৮০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||
| ০৩. উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাত/বিপণন/সংরক্ষণের সময় খাদ্য নিরাপত্তার আইন/নিয়ম/নির্দেশনা কার্যকরণে জোর দেয়া | “চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন,সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ ও গুদামজাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। | প্রশিক্ষিত কৃষক | ৩০০০ | ৫০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১৫০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
|||
| ৬.২.১ | ০২. খাদ্যাভ্যাসের বৈচিত্র্যর জন্য কৃষকদের মাঠ স্কুল, গ্রামভিত্তিক সংগঠনগুলোতে পুষ্টি শিক্ষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যা বাড়িতে নানা ধরনের বাগান (ফল ও শাকসবজি) এবং পেছনের উঠানে হাঁস-মুরগি পালন/সীমিত আকারে পশু পালন/জলজ চাষে উদ্বুদ্ধ করবে | পুষ্টি বিষয়ে কৃষাণ- কৃষাণিকে প্রশিক্ষণ প্রদান | পুষ্টি প্রশিক্ষিত কৃষক | ১০০০০ | ১৫০০০ | সারা দেশ | বার্ষিক প্রতিবেদন | ১৫০,০০০০০ |
✖ |
✖ |
✖ |
✖ |
||